বরিশাল জেলার সংবাদ

বাবুগঞ্জ মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

মিয়া রোকন, বাবুগঞ্জ : বাবুগঞ্জ দেহেরগতি ইউনিয়নের রাকুদিয়া ৫নং ওয়ার্ডের হানিফ মোল্লার(৩৮) ছেলে স্থানীয় জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ ইব্রাহিম মোল্লা (১৭) নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  করে তার ফলশ্রুতিতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ৮ সেপ্টেম্বর বাবুগঞ্জ থানায় দাদী পিয়ারা বেগম (৫৫) ৪ জনকে আসামী করে মিথ্যা   মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০২, তারিখ ০৮/০৯/০২০। এরা হইলো,  জুলফিকার মোল্লা (৪৫), তার    স্কুল পড়ুয়া কিশোরী কন্যাকে, স্থানীয় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফিরোজ  আলম মোল্লা (৬৫), ছেলে রাকিব মোল্লা (৩৫), প্রমুখ।
ফরেনসিক  তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী জানাগেছে,  গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যা দিকে ১০ম শ্রেণীর ছাত্র ইব্রাহিম মোল্লা (১৭) নিজ বাড়িতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বসতঘরের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। কিন্তু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে  হয়রানি করার জন্য আবার হানিফ মোল্লা (৩৮)  বাদী হয়ে  বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২৩৭ কোতোয়ালি মডেল থানা বিএমপি বরিশাল। এ ঘটনা তদন্ত করেন এস আই মীর আশরাফুল আলম এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট  পিএম নং  ২৩৬/২০  অনুযায়ী বরিশাল শেরে বাংলা ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার অভিজিৎ দেব সহ তিনজন ডাক্তার সহযোগিতায় ১৮/০৮/০২০ তারিখ এই মামলার দ্বয়ের  চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রদান করেন। উল্লেখ্য এই মামলার যাদেরকে আসামি করা হয়েছে  তা সম্পুর্ন মিথ্যা  বানোয়াট, এবং হয়রানি মূলক,  এবং এই ঘটনার আসামীরা কেহ জরিত নহে ও কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। মৃত- ইব্রাহিম মোল্লা (১৭) নিজেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন এটাই ময়নাতদন্তের রির্পোট।
তবে বাদী মোঃ হানিফ মোল্লা পিতা কাঞ্চন মােল্লা,  মাতা মোসাম্মৎ পেয়ারা বেগম একজন অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাচালানীর সাথে দীর্ঘদিন যাবত জড়িত কোতোয়ালি মডেল থানায় বিগত দিনে হানিফ মোল্লা অনেক মাদক মামলায় জরিত।
 ১( 2ডব্লিউপিএক্স) বি এম পি এর কোতোয়ালী থানার এফ আই আর নং ১৫ জি  আর নং ২০৭/ ২০১৮, ০৪ এপ্রিল ২০১৮ সালে, ১৯(১)এর (ক) ১৯৯০সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে  এজাহারভুক্ত হয় হানিফ মোল্লা । আবার ২০১০ সালে
 বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায়( এলআইসিও)   বিএমপি, এফ আই আর নং৫০,  ২৪ শে সেপ্টেম্বর ২০১০, তারিখ,  সময় -ধারা -৬(১)১৯১৮সালে সিনেম অটোগ্রাফী এ্যাক্ট এ হানিফ মোল্লা এজাহার ভুক্ত  আসামী হন ।
এই মামলার তিন নাম্বার আসামী মোঃ ফিরোজ মোল্লা স্থানীয় একটি মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক  তিনি সাংবাদিকদের জানায়, যে আমার জানামতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যুন্ত এই মামলা এজাহারভুক্ত হয় না। কিন্তু ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়াই আমাদেরকে চার্জশিট দেয়া হয় এবং  বরিশার পুলিশ কমিশনার মহোদয় এর কাছে আমার আকুল আবেদন এই মিথ্যা মামলায় আমাদেরকে কেন হয়রানি করা হইল আমি তার বিচার চাই।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button