বরিশাল বিভাগের সংবাদ

কলাপাড়ায় মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

জান্নাত আরা মিলি, কলাপাড়া : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর হলদিবাড়িয়া গ্রামের আ: রব হাওলাদারের পুত্র মো. মাসুম বিল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই গ্রামের বাসিন্দা তাজুল হাওলাদারের পুত্র সবুজ হাওলাদার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের নিয়ে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা করে মাসুম হাওলাদার ও তার পরিবারকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগকারী দাবী করেন।

অভিযোগকারী মাসুম হাওলাদার ও তার পরিবার এধরনের মিথ্যা মামলা হতে পরিত্রাণসহ হয়রানীমূলক মিথ্যা ও সাজানো মামলাকারী সবুজ হাওলাদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হলদিবাড়িয়া গ্রামে মাসুম বিল্লাহ ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে। হাজীপুর মৌজার ১২৪ নং খতিয়ানে তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি রয়েছে। সেখানে মামলাকারী সবুজ হাওলাদারেরও ওভারসেলে ক্রয়কৃত কিছু জমি রয়েছে। তিনি তার ওভারসেলে ক্রয়কৃত সম্পত্তির বুঝ না পেয়ে অভিযোগকারী মাসুম বিল্লাহ, তার বড় ভাই মনজুরুল আহসান ও তার দাদা বিছানায় শায়িত শতবছর বয়সী মোসলে উদ্দিন হাওলাদারের নামে সম্পূর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সাজানো একটি মামলা দায়ের করে তাদের হেয় প্রতিপন্ন করার পায়তারা চালাচ্ছে।

অথচ সবুজ হাওলাদার যেদিনের ঘটনা বর্ননা দিয়ে মামলা করেছেন সেদিন অভিযোগকারী ঢাকায় অবস্থান করছিল বলে দাবী করেন। এছাড়া মাসুম বিল্লাহ’র দাদা এক’শ বছর বয়সী মোসলে উদ্দিন যিনি বিছানা হতে উঠতে অপারগ। তাকে অন্যের সাহায্য নিয়ে চলাফেরা করতে হয়। সে কিভাবে দাঙ্গা-হাঙ্গামার মতো ঘটনা করতে পারে সেবিষয়টিও তিনি প্রশ্ন রাখেন।

অভিযোগকারী মাসুম বিল্লাহ বলেন, ঘটনার দিন আমি ঢাকাতে অবস্থান করছিলাম। এবিষয়ে আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে। তাছাড়া আমার দাদা মোসলে উদ্দিন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় পরে রয়েছে। সে কিভাবে মারামারি করতে পারে তা আপনারাই বিবেচনা করেন।

উল্লেখিত, বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক দিক বিবেচনা করে অভিযোগকারী মাসুম বিল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সবুজ হাওলাদার কর্তৃক মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার প্রত্যাহারসহ মামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। সবুজ হাওলাদার কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার ৭ নং স্বাক্ষী আ: জলিল সর্দার বলেন, এ মামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তবে শুনেছি আমাকে মামলায় স্বাক্ষী করা হয়েছে। এবিষয়ে অভিযুক্ত সবুজ হাওলাদারের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সরাসরি দেখা করে বিস্তারিত জানাবো বলে লাইন কেটে দেন।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button