বরিশাল বিভাগের সংবাদ

বরগুনায় উজাড় হচ্ছে সবুজ বেষ্টনী

সঞ্জীব দাস বরগুনা : বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ভূমি দস্যুদের হাতে উজাড় হচ্ছে বন বিভাগের সবুজ বেষ্টনী বনায়ন প্রকল্প।
পাথরঘাটা উপজেলার রায়হান পুর এলাকায় নির্বিচারে বনের কাঠ কেটে বিক্রি করছে বনদস্যুরা। এমন অভিযোগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পাথরঘাটা ফরেস্ট রেঞ্জ এলাকার কাকচিড়া লেমুয়া সংরক্ষিত বিটে সামাজিক বনায়ন প্রকল্পে১৯৯৪থথ ৯৫ অর্থ বছর করইতলা রায়হানপুর ১০ সি ঃ কিঃ মিঃ এলাকায় ১০ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করা হয়।
বন দশ্যুরা বনের বিভিন্ন জায়গা থেকে গাছ কেটে পার্শ্ববর্তী হলতা খালে এবং বিভিন্ন ঝোপঝাড়ে মজুদ করে রাখে। সময় বুঝে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কড়ইতলা এলাকার লোকজন অভিযোগ করে বলেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রূপক বনবিভাগের গাছ কেটে পাচার করে আসছে এবং হালতা খাল সহ বিভিন্ন ঝোপঝাড়ে সংরক্ষণ করে রাখে।
ঘটনায় পাথরঘাটা রেঞ্জের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এবং বিট কর্মকর্তা পলাশ চক্রবর্তীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান ঘটনা স্থলে ফরেস্টের গার্ড পাঠানো হয়েছে।পরবর্তীতে ফরেস্ট গার্ড কবির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান হলতা খালসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু গাছের সন্ধান তিনি জানতে পেরেছেন এবং এই ঘটনায় স্থানীয় নূরে আলম নামের এক ব্যক্তি গাছ কাটার কথা স্বীকার করেছেন। তবে বন সামাজিক প্রকল্প কমিটির স্থানীয় সভাপতি হারুন আকন জানান বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসেছিল এবং জোয়ারের পানি বৃদ্ধি থাকার কারণে পানির নিচে গাছ থাকায় উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় পানি কমলেই গাছ তার জিম্মায় রাখার কথা বলে গেছেন।
বিট কর্মকর্তা পলাশ চক্রবর্তী পরবর্তীতে জানান গাছ কাটার সাথে জড়িত নূরে আলম নামে এক ব্যক্তি ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বন বিভাগ থেকে নুরে আলমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং গাছ উদ্ধার করে স্থানীয় সামাজিক বন উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতির কাছে জিম্মায় রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রূপক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তিনি আদৌ এই গাছ কাটার সাথে জড়িত নয় যে ব্যক্তি এই গাছ কেটেছে আমরা খবর নিয়েছি সে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে স্বীকার করেছে গাছ উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে বন বিভাগের কর্মকর্তারা গাছ কাটার স্বীকারোক্তি দেওয়া নুরে আলম নামক জনৈক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে তিনি জানান। এবং এক শ্রেণীর রাজনৈতিক কুচক্রী মহল তার এলাকার সম্মান এবং সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থেকে তার নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button