বরিশাল জেলার সংবাদ

ইয়াবাসহ গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী কালুর ২ বছরের কারাদণ্ড

হিজলা প্রতিনিধি : বরিশালের হিজলা উপজেলায় ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী কালাম হাওলাদার ওরফে ইয়াবা কালুকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রাজজ আদালতের বিচারক মোঃরফিকুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন।

হিজলা থানা পুলিশ ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট ৩৩০ পিচ ইয়াবাসহ কালাম ওরফে কালু ও তার সহযোগি মেহেদী হাচানকে গ্রেফতার করেন।কয়েক মাস পর জামিনে বের হয়ে ফের মাদক ব্যবসা শুরু করেন কালু ওরফে কালাম হাওলাদার।কালু ওরফে কালাম হাওলাদার উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের মৃত্যু জমসেদ হাওলাদারের দ্বিতীয় পুত্র।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) হেদায়েতুন নবী জাকির মামলার বরাদ দিয়ে বলেন,হিজলা থানা পুলিশের একটি দল ২০১৮ সালের ১৯ আগস্ট মাদক বেচা কেনার খবর পেয়ে নরসিংহপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালিয়ে তাহাকে গ্রেফতার করে।এ ঘটনার পর ওই রাতেই হিজলা থানা উপপরিদর্শক ওবায়দুল হক বাদী হয়ে কালাম হাওলাদার ওরফে ইয়াবা কালুসহ তিনজন আসামীকরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটা মামলা করেন।

একই বছর ২ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিজলা থানার এসআই জাকির হোসেন তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।১২ জনের সাক্ষগ্রহন শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালত কালু ও তার সহযোগী মেহেদী হাচানকে কারাদণ্ড দেন। অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় একই মামলার অপর আসামী রিয়াজুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

চলতি বছরের ৮ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩ টার সময় কাউরিয়া বাজার থেকে অপরাধজগতের আতঙ্ক কালুকে আটক করে মুলাদী সার্কেলের পুলিশ। মরহুম সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আনিসুল করিম কালুকে জিজ্ঞেসাবাদের জন্য আটক করেছিলেন। তাকে আটকের পরে এলাকায় স্বস্তির নিঃশ্বাস এসেছিলো। কালুকে আটকের পরে সহযোগিরা গা ঢাকা ও দিয়েছিল।

এখন আবার স্বস্তি ফিরে আছসে উপজেলায় কালুর সাজা হওয়াতে। কালুর বিরুদ্ধে মারামারি,চুরি-ডাকাতি ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে বিভিন্ন থানায়।তার নিজের মুখের কথায় বুঝাযায় জেল হলো তার শ্বশুরালয়ের মতো। বেড়াতে যায় কিছু দিন পরে আবার চলে আসে ত্রাস সৃষ্টি করতে।

৯০ দশকের আতঙ্ক কালুকে কেন মানুষ এতো ভয় পায় “এ প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, কালু হাওলাদার ওরফে কালুকে আমি চিনি ৯২সাল থেকে একই পরিবারের ৩ মেয়েকে ধর্ষণশেষে স্তন কেটে নিয়ে ও ক্ষান্ত হয়নি নরপশুরা,শেষ প্রযন্ত এবারিটি লাইডের ব্যটারী।পরিবারটিকে এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছিল।পরিবারটি খোঁজ খবর আর পাওয়া যায়নি কোথায় কিভাবে আছেন এলাকার কেউ যানে না এখনও।সবারই ভয় আছে ভাই কে রুখবে কালুদের যানতে পারলেই রাতের আধারে শেষ করে দিয়ে যাবে ওই পরিবারের মতো।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

Back to top button