বরিশাল জেলার সংবাদ

রোজার আগেই নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি

স্টাফ রিপোর্টার : বরিশালে নিত্যপণ্যের দাম রমজানের আগেই বাড়তে শুরু করেছে। আলু, পেঁয়াজ, রসুন থেকে শুরু করে ডাল, চিনির দামও দিন দিন বাড়ছে। এর সঙ্গে তেলের দামের নাগাল কিছুতেই টানা যাচ্ছে না। মুরগি আর মাছের বাজারও চড়া। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন ক্রেতাসাধারণ।

নগরীর পেঁয়াজপট্টি ঘুরে জানা গেল নানা পণ্যের দাম বেড়েছে। আড়তদার এনায়েত হোসেন বলেন, আলু প্রতি কেজি ১৬-১৭ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। যদিও আলুর দাম ১৪ টাকায় নেমে এসেছিল। পেঁয়াজ ৩২ টাকায় বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২৮ টাকা দরে। দেশি রসুন ১০০ টাকার উপরে। আদা বিক্রি চলছে ৭০ টাকা কেজি।

এ বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা শিক্ষিকা সাদিয়া আফরিন বলেন, রমজানের আগেই এসব পণ্যের দাম বাড়ছে। এখনই যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারা যায় তবে মানুষের কস্ট বাড়বে। বাজার রোডের জয়কালী ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী জয় ব্যানার্জী জানান, চিনি, ডাল, তেলের দাম বেড়েছে।

তার দেওয়া তথ্যমতে, চিনি প্রতি কেজি ৬৮ টাকা, গত সপ্তাতে যা বিক্রি হয়েছে ৬৫ টাকা দরে। মসুর ডাল কেজি প্রতি ২ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা হয়েছে। খোলা সোয়াবিন তেল কেজি প্রতি ১৩০-১৩২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে যা বিক্রি চলছে ১৩৫ টাকার ঊর্ধ্বে।

চৌমাথা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে অস্বাভাবিক হয়েছে মুরগির দাম। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ১৯০ টাকায় বিক্রি চলছে। একইভাবে ব্রয়লার ১৩০ টাকা এবং লেয়ার ২৩০ টাকা দরে বিক্রি চলছে।

মেসার্স ভাই ভাই পোল্ট্রির মালিক শাহজাহান খান, বরিশালে উৎসব বাড়ছে। যে কারণে মুরগির দাম বেড়েছে। পোর্টরোড মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, জাটকা নিধনে নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে মাছের দাম বেড়েছে। সবচেয়ে সংকট চিংড়ি মাছের। বড় সাইজের চিংড়ি কেজি প্রতি বিক্রি চলছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। রুই ৪০০ টাকা, কোরাল ৫০০ টাকা এবং আইড় ৭০০ টাকার উপরে বিক্রি চলছে। দেশি কই ও শিং ৫০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

মৎস্য কর্মকর্তা ড. বিমল চন্দ্র দাস বলেন, জাটকা রক্ষায় ইলিশের ৬ষ্ঠ অভয়াশ্রমে মাছ ধরা নিষেধ। এটি বাস্তবায়ন হলে ইলিশসহ বিভিন্ন মাছের উৎপাদন বাড়বে।

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন

আরও দেখুন...
Close
Back to top button